মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব

 

ক) মরহুম খান সাহেব কোমর উদ্দিন ঢালী

 

নাম- মরহুম আলহাজ্ব খান সাহেব কোমর উদ্দীন আহমেদ (টি,কে)

জন্ম- ১৯০০ খ্রীষ্টাব্দের ১৯শে মার্চ (মতান্তরে ১৯৯৮ সালের ১৯শে মার্চ), মৃত্যু- ১৯৭৭ সালের ২৮শে জুন।

পিতা- মরহুম তকিম উদ্দীন আহমদ

মাতা- নেকছান বিবি

গ্রাম- জায়গীরমহল, পোঃ- আমাদী, উপজেলা- কয়রা, জেলা- খুলনা।

ব্যক্তি জীবন ও কর্ম- কলেজ শিক্ষার পাঠ সমাপ্ত করে ১৯২৮ খ্রীষ্টাব্দ হতে আমৃত্যু (প্রায় অর্ধশতাব্দী কাল ধরে) ইউনিয়ন পঞ্চায়েত ও লোকাল বোর্ডে তথা ইউনিয়ন পরিষদের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ১৯৬৪-১৯৬৫ সালে পাইকগাছা, আশাশুনি এলাকা থেকে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্থানে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং জেলা বোর্ডের নির্বাচিত সদস্য ছিলেন।

সমাজ সেবা ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড- দক্ষিণ বঙ্গের উন্নয়নের পথিকৃত অবিসংবাদিত জননেতা, শিক্ষাবিদ ও সমা সেবক হিসাবে খান সাহেব কোমর উদ্দীনের অবদান অপরিসীম। অবিভক্ত পাইকগাছার রাস্তাঘাট নির্মাণ, ১৯৬৫ সালের ২৭শে জানুয়ারী তৎকালীন পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রী জনাব খান এ সবুর সাহেবের দ্বারা উদ্ভোধন করে এবং স্ব-উদ্যোগে আমাদী রুরাল হেলথ সেন্টার (বর্তমানে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স) প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৪৪ সালে আমাদী জায়গীর মহল তকিম উদ্দীন মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির নির্মাণ ও প্রতিষ্ঠা করেন।

পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ- অবিভক্ত বাংলার স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সমূহের পুরোধা ব্যক্তি হিসাবে পুরস্কার লাভ পর্যায়ক্রমে ১৯৩৫, ১৯৩৬,১৯৩৮, ১৯৩৯ ও ১৯৪০ সালে। লর্ড লিংলিথ গো কর্তৃক কাইজার-ই-হীন্দ খেতাব লাভ ২রা জুন ১৯৪৩। পাকিস্তানের তদানীন্তন প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল আয়ুব খান তাকে তমযায়ী খিদমত’’ (টি-কে) খেতাবে ভূষিত করেন ১৯৬৩ সালে। খুলনা জেলার শ্রেষ্ঠ কৃতিসন্তান হিসাবে পল্লী উন্নয়নের পথিকৃত পর্যায়ের মরনোত্তর পুরস্কার লাভ ১৯৮২ ও ১৯৮৪ সালে। ( খুলনা জেলা ও জেলা বোর্ড শতবর্ষ উদ্যাপনের প্রা্ক্কালে) ১৯৭২ সালে তিনি হজব্রত পালন করেন। এ ছাড়াও সমাজ সেবার স্বীকৃতি স্বরূপ আরও অনেক ছোট খাট পুরস্কার ও সম্মাননায় তিনি ভূষিত হন।

 

খ) মরহুম-কবি এবাদুল্যাহ শেখ (তার রচিত কাব্যগ্রন্থঃ মালঞ্চ, ঝরাফুল ইত্যাদি)

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter